মেনু নির্বাচন করুন
জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস

 

জোনাল সেটলমেন্ট অফিস

মানিকগঞ্জ

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

 

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কমর্কর্তা কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি

জরিপ শুরু করার পূর্বে সেটেলমেন্ট অফিসার স্থানীয় প্রশাসনসহ ভূমি মালিকগণকে অবহিতকরে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে। এ কাজে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন সহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। জরিপের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার পর পরই ভূমি মালিকগণকে জরিপের প্রস্তুতিমূলক কাজ হিসেবে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা সঠিকভাবে চিহ্নিত করে রাখতে হবে এবং মালিকানা কাগজপত্র সংগ্রহ/সংরক্ষণ করতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।

ট্রাভার্স

কোন মৌজার ৩৩% এর বেশী প্লট পরিবর্তিত হলে একটি নতুন প্লেন সিটে ট্রাভার্স জরিপের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুত করতে হয়। এরূপ সিটকে পি-৭০ সিট বলে। একজন ক্যাম্প অফিসারের নের্তৃত্বে ট্রাভার্স সার্ভেয়ার, কম্পিউর ও কতিপয় খালাসীসহ একটি ট্রাভার্স দল গঠন করে ট্রাভার্স জরিপ সম্পন্ন করা হয়।ট্রাভার্স সার্ভেয়ার থিওডোলাইট যন্ত্রের সাহাযো ট্রাভার্স এষ্টেশন চিহ্নিত করে বাঁশের খুঁটিপুঁতে দেন। চিহ্নিত বাশেঁর খুটিগুলো কম্পিউটেশনের মাধ্যমে গোলাকার চাঁদা আকারে মোটা সিটে সন্নিবেশিত করে কিস্তোয়ার কাজ করার জন্য সিটগুলো সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট সরবরাহ করা হয়।

ট্রাভার্সক্রাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার।

কিস্তোয়ার

একটি মৌসুমী আমিনদল পি-৭০ সিটে অথবা ব্লু-প্রিন্ট সিটে কিস্তোয়ার সম্পন্ন করে থাকেন।নকশায় ৩৩% এর কম প্লট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাবেক নকশার ব্লু-প্রিন্ট সিটে কিস্তোয়ার করা হয়ে থাকে। মৌসুমী আমিন সার্ভে যন্ত্রপাতির সাহায্যে প্লট-টু-প্লট জরিপ করে নকশা প্রস্তুত করে থাকেন। কিস্তোয়ারের মাধ্যমে মৌজা নকশায় মৌজার প্রতিটি ভূমি খন্ডের অবস্থানগত প্রতিচ্ছবি নির্ধারিত স্কেলে অংকন করা হয়।

ক্যাডস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/হল্কা অফিসার/সর্দার আমিন।

খানাপুরি

এ স্তরে কিস্তোয়ারকৃত ভূমি খন্ডের নকশায় দাগ নম্বর দেয়া হয়। নকশায় ভূমিখন্ডগুলো উত্তর পশ্চিশ কোণ হতে নাম্বারিং করা হয়। এ স্তরে খতিয়ান খোলা হয়, তবে খতিয়ানে জমির পরিমাণ লেখা হয় না। খতিয়ানে শুধু মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির শ্রেণী, পরিমাণ, দাগ, নম্বর ইত্যাদি সন্নিবেশ করা হয়।সরদার আমিন, বদর আমিনের সহায়তায় উপস্থিত ভূমি মালিকদের কাগজপত্র ওবক্তব্য পযার্লোচনাক্রমে খতিয়ান প্রণয়ন করেন। খতিয়ান ধারাবাহিক নম্বর দিয়ে খুলতেহয়। ১ নং খতিয়ানে সরকারের খাস জমি কালেক্টরের নামে এবং ১/১খতিয়ানে অর্পিত সম্পত্তি কালেক্টরের নামে রেকর্ড করা হয়। ১ ও ১/১ খতিয়ান লেখার পর পরবর্তীগুলো রেওয়াজ অনুযায়ী এয কোন সরকারী/আধা সরকারী বিভাগের নামে আগে বা পরে লেখা যেতে পারে। সবর্শেষে সাধারণ ভূমি মালিকদের খতিয়ান খুলতে হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকদের প্রধান কাজ হচ্ছে যথাসময়ে নিজে জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করে খতিয়ানে ঐসব তথ্য লিপিবদ্ধ করানো।

সরদার আমিন/ হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার।

বুঝারত

খানাপুরী স্তরে প্রণীত খতিয়ানে অংশ অনুযায়ী জমির পরিমাণ লিখে ভূমি মালিকগণের নাম, জমির পরিমাণ সহ সকল তথ্য সন্নিবেশ করে ভূমি মালিকগণকে বুঝিয়ে দিয়ে খতিয়ানের একটি অনুলিপি সরদার আমিন তারিখসহ স্বাক্ষর প্রদানকরে সরবরাহ করে থাকেন।খতিয়ানেরএ অনুলিপিকে পর্চা বলে। এ স্তরে খতিয়ান ও নকশায় কোনত্রুটি থাকলে ভূ-মালিক মাঠে আমিনের নিকট নির্ধারিত ফরমে (বাংলাদেশ ফরম নং৫৪৬৫) বিবাদ কেস (ডিসপুট) দাখিল করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি লাগেনা। হলকা অফিসার (উপ-সহকারী) সেটেলমেন্ট অফিসার) পরবর্তী পরিদর্শন দিবসে পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে ডিসপুট নিস্পত্তি করবেন।

ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/হল্কা অফিসার/সর্দার আমিন।

খানাপুরী -কাম বুঝারত

ব­-প্রিন্ট সীটের জরিপ কালে জরিপ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর খানাপুরী-কাম বুঝারত  স্তরের মাধ্যমে স্বত্বলিপি প্রস্ত্তত করা হয়। এ স্তরে জরিপ কালে ভূমি মালিকগণ মাঠে উপস্থিত থেকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত কাগজপত্র জরিপ কাজে নিয়োজিত আমিনকে দেখিয়ে সঠিকভাবে রেকর্ডভূক্ত করাবেন।

ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/ হল্কা অফিসার/ সর্দার আমিন।

তসদিক (এ্যাটেষ্টেশন)

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৮ বিধি মোতাবেক রাজস্ব ক্ষমতা সম্পন্ন একজন উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার উপজেলা পর্যায়ে অথবা ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্যাম্প স্থাপন করে কর্মসূচী দিয়ে ভূমি মালিকদের উপস্থিতিতে প্রতিটি খতিয়ান লাল কালিতে সত্যায়ন করবেন। কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে ভূমি মালিক নির্ধারিত ফরমে (বাংলাদেশ ফরম নং ৫৪৬৫) ডিসপুট দাখিল করতে পারেন। ডিসপুট দাখিলের জন্য কোন কোর্ট ফি লাগে না। তসদিক অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে ডিসপুট নিস্পত্তি করবেন।

তসদিক অফিসার।

খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি দায়ের

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনা দেয়া হয়। খসড়া প্রকাশনা কালে কমপক্ষে ১ (এক) মাস ডি.পি. খতিয়ান ভূমি মালিকের দেখার জন্য খোলা থাকে।ডি.পি খতিয়ানে কোন ভূলত্রুটি থাকলে ভূমি মালিক নির্দিষ্ট ফরমে নির্ধারিত কোর্ট ফি দিয়ে  আপত্তি কেস দায়ের করতে পারেন। ডি.পি চলাকালীন আপত্তি কেস দায়ের করতে হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

সিটিজেন চার্টার

   ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণও প্রজাস্বত্বআইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধানঅনুসারে ভূমি রেকর্ডও জরিপের কাজ সমূহ স্তরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে।রেকর্ড প্রণয়ন ও নকশাপ্রস্তুত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরেরকর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথে এবং সংশ্লিষ্টক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায়অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কাযার্লয়েসরাসরি যোগাযোগ করে ভূমিমালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিম্নেস্তর ভিত্তিক সেবার ধরণ, ভূমি মালিকের করণীয় এবং সেবা প্রদানে নিয়োজিতকর্মকর্তা/কর্মচারীদেরবর্ণনা দেয়া হলোঃ

 

অধিদপ্তরের কার্যাবলীঃ

1. পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ভূমি খন্ডের (plot) রেকর্ড প্রণয়ন ওমৌজা ম্যাপ প্রস্তুত ও মুদ্রণ।

2. দেশের প্রতিটি মৌজা, থানা/উপজেলা, জেলা এবং সমগ্র দেশের ম্যাপ প্রস্তুত ও মুদ্রণ।

3. আন্তঃউপজেলা এবং আন্তঃ জেলা সীমানা চিহ্নিতকরণ এবং বাস্তবায়নে

জেলা প্রশাসনকে কারিগরী সহায়তা প্রদান।

4. আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা চিহ্নিত করণ, সীমানা ষ্ট্রীপ ম্যাপ প্রস্তুত ও মুদ্রণ।

5. বিসিএস প্রশাসন,পুলিশ, বন ও অন্যান্য ক্যাডার এবং

6. জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সার্ভে ও সেটেলমেন্ট প্রশিক্ণ প্রদান।

 

 

 

 

জরুরী জ্ঞাতব্য

 

1. ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও নক্‌শা প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তরভিত্তিক।

  • 2. নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের সার্থে বিভিন্ন স্ততরে পৃথক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।
  • 3. মাঠ পর্চা সরকারী ভাবে বুঝারত/খানাপুরী-কাম-বুঝারত স্তরে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের ‍রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ স্বাক্ষরে সংশোধিত পর্চা বিনা মূল্যে সরবরাহ করবেন।
  • 4. রিভিশন/জোনাল/উপজেলা/সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড রুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও নক্‌শা সার্টিফাইড কপি/অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।
  • 5. অধিদপ্তর বা কোন সেটেলমেন্ট অফিস হতে পূর্ববর্তী জরিপ যথা সি.এস, এস.এ এবং আর.এস জরিপের নক্‌শা বা পর্চা সরবরাহের আইনগত সুযোগ নেই। এ সকল জরিপের পর্চা বা নক্‌শা সরবরাহ/বিক্রীর উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।
  • 6. জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও নক্‌শার মূল্য ডিসিআর-এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভূত সকল লেনদেন নিষিদ্ধ এবং সুনিশ্চিত দুর্নীতির পর্যায় ভুক্ত। এরূপ অবৈধ লেনেদেনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষনিক ভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
  • 7. জরিপ কার্যক্রম বিষয়ে কোন অভিযোগ থাকলে নিম্নবর্ণিত ক্রমানুযায়ী অভিযোগ করা যাবে।

 

স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

 

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কমর্কর্তা কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি

জরিপ শুরু করার পূর্বে সেটেলমেন্ট অফিসার স্থানীয় প্রশাসনসহ ভূমি মালিকগণকে অবহিতকরে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে। এ কাজে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন সহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। জরিপের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার পর পরই ভূমি মালিকগণকে জরিপের প্রস্তুতিমূলক কাজ হিসেবে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা সঠিকভাবে চিহ্নিত করে রাখতে হবে এবং মালিকানা কাগজপত্র সংগ্রহ/সংরক্ষণ করতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।

ট্রাভার্স

কোন মৌজার ৩৩% এর বেশী প্লট পরিবর্তিত হলে একটি নতুন প্লেন সিটে ট্রাভার্স জরিপের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুত করতে হয়। এরূপ সিটকে পি-৭০ সিট বলে। একজন ক্যাম্প অফিসারের নের্তৃত্বে ট্রাভার্স সার্ভেয়ার, কম্পিউর ও কতিপয় খালাসীসহ একটি ট্রাভার্স দল গঠন করে ট্রাভার্স জরিপ সম্পন্ন করা হয়।ট্রাভার্স সার্ভেয়ার থিওডোলাইট যন্ত্রের সাহাযো ট্রাভার্স এষ্টেশন চিহ্নিত করে বাঁশের খুঁটিপুঁতে দেন। চিহ্নিত বাশেঁর খুটিগুলো কম্পিউটেশনের মাধ্যমে গোলাকার চাঁদা আকারে মোটা সিটে সন্নিবেশিত করে কিস্তোয়ার কাজ করার জন্য সিটগুলো সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট সরবরাহ করা হয়।

ট্রাভার্সক্রাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার।

কিস্তোয়ার

একটি মৌসুমী আমিনদল পি-৭০ সিটে অথবা ব্লু-প্রিন্ট সিটে কিস্তোয়ার সম্পন্ন করে থাকেন।নকশায় ৩৩% এর কম প্লট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাবেক নকশার ব্লু-প্রিন্ট সিটে কিস্তোয়ার করা হয়ে থাকে। মৌসুমী আমিন সার্ভে যন্ত্রপাতির সাহায্যে প্লট-টু-প্লট জরিপ করে নকশা প্রস্তুত করে থাকেন। কিস্তোয়ারের মাধ্যমে মৌজা নকশায় মৌজার প্রতিটি ভূমি খন্ডের অবস্থানগত প্রতিচ্ছবি নির্ধারিত স্কেলে অংকন করা হয়।

ক্যাডস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/হল্কা অফিসার/সর্দার আমিন।

খানাপুরি

এ স্তরে কিস্তোয়ারকৃত ভূমি খন্ডের নকশায় দাগ নম্বর দেয়া হয়। নকশায় ভূমিখন্ডগুলো উত্তর পশ্চিশ কোণ হতে নাম্বারিং করা হয়। এ স্তরে খতিয়ান খোলা হয়, তবে খতিয়ানে জমির পরিমাণ লেখা হয় না। খতিয়ানে শুধু মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির শ্রেণী, পরিমাণ, দাগ, নম্বর ইত্যাদি সন্নিবেশ করা হয়।সরদার আমিন, বদর আমিনের সহায়তায় উপস্থিত ভূমি মালিকদের কাগজপত্র ওবক্তব্য পযার্লোচনাক্রমে খতিয়ান প্রণয়ন করেন। খতিয়ান ধারাবাহিক নম্বর দিয়ে খুলতেহয়। ১ নং খতিয়ানে সরকারের খাস জমি কালেক্টরের নামে এবং ১/১খতিয়ানে অর্পিত সম্পত্তি কালেক্টরের নামে রেকর্ড করা হয়। ১ ও ১/১ খতিয়ান লেখার পর পরবর্তীগুলো রেওয়াজ অনুযায়ী এয কোন সরকারী/আধা সরকারী বিভাগের নামে আগে বা পরে লেখা যেতে পারে। সবর্শেষে সাধারণ ভূমি মালিকদের খতিয়ান খুলতে হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকদের প্রধান কাজ হচ্ছে যথাসময়ে নিজে জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করে খতিয়ানে ঐসব তথ্য লিপিবদ্ধ করানো।

সরদার আমিন/ হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার।

বুঝারত

খানাপুরী স্তরে প্রণীত খতিয়ানে অংশ অনুযায়ী জমির পরিমাণ লিখে ভূমি মালিকগণের নাম, জমির পরিমাণ সহ সকল তথ্য সন্নিবেশ করে ভূমি মালিকগণকে বুঝিয়ে দিয়ে খতিয়ানের একটি অনুলিপি সরদার আমিন তারিখসহ স্বাক্ষর প্রদানকরে সরবরাহ করে থাকেন।খতিয়ানেরএ অনুলিপিকে পর্চা বলে। এ স্তরে খতিয়ান ও নকশায় কোনত্রুটি থাকলে ভূ-মালিক মাঠে আমিনের নিকট নির্ধারিত ফরমে (বাংলাদেশ ফরম নং৫৪৬৫) বিবাদ কেস (ডিসপুট) দাখিল করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি লাগেনা। হলকা অফিসার (উপ-সহকারী) সেটেলমেন্ট অফিসার) পরবর্তী পরিদর্শন দিবসে পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে ডিসপুট নিস্পত্তি করবেন।

ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/হল্কা অফিসার/সর্দার আমিন।

খানাপুরী -কাম বুঝারত

ব­-প্রিন্ট সীটের জরিপ কালে জরিপ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর খানাপুরী-কাম বুঝারত  স্তরের মাধ্যমে স্বত্বলিপি প্রস্ত্তত করা হয়। এ স্তরে জরিপ কালে ভূমি মালিকগণ মাঠে উপস্থিত থেকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত কাগজপত্র জরিপ কাজে নিয়োজিত আমিনকে দেখিয়ে সঠিকভাবে রেকর্ডভূক্ত করাবেন।

ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার/ হল্কা অফিসার/ সর্দার আমিন।

তসদিক (এ্যাটেষ্টেশন)

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৮ বিধি মোতাবেক রাজস্ব ক্ষমতা সম্পন্ন একজন উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার উপজেলা পর্যায়ে অথবা ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্যাম্প স্থাপন করে কর্মসূচী দিয়ে ভূমি মালিকদের উপস্থিতিতে প্রতিটি খতিয়ান লাল কালিতে সত্যায়ন করবেন। কোন ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে ভূমি মালিক নির্ধারিত ফরমে (বাংলাদেশ ফরম নং ৫৪৬৫) ডিসপুট দাখিল করতে পারেন। ডিসপুট দাখিলের জন্য কোন কোর্ট ফি লাগে না। তসদিক অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে ডিসপুট নিস্পত্তি করবেন।

তসদিক অফিসার।

খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি দায়ের

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৯ বিধি মোতাবেক খসড়া প্রকাশনা দেয়া হয়। খসড়া প্রকাশনা কালে কমপক্ষে ১ (এক) মাস ডি.পি. খতিয়ান ভূমি মালিকের দেখার জন্য খোলা থাকে।ডি.পি খতিয়ানে কোন ভূলত্রুটি থাকলে ভূমি মালিক নির্দিষ্ট ফরমে নির্ধারিত কোর্ট ফি দিয়ে  আপত্তি কেস দায়ের করতে পারেন। ডি.পি চলাকালীন আপত্তি কেস দায়ের করতে হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

 

 

ক্রঃনং

যে কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

যার কাছে অভিযোগ করতে হবে

01

02

03

01

মৌসুমী কর্মচারী

01. সংশ্লিষ্ট হল্কা অফিসার বা কানুনগো।

02. সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার বা এ.এস.ও

02

কানুনগো বা উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

01. সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসার

02. সংশ্লিষ্ট চার্জ অফিসার

03

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

01. সংশ্লিষ্ট চার্জ অফিসার 02। সেটেলমেন্ট অফিসার

04

উপরে বর্ণিত হয়নি এমন সব কর্মচারী এবং চার্জ অফিসার

01. সেটেলমেন্ট অফিসার

05

সেটেলমেন্ট অফিসার

মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।

ছবি নাম মোবাইল
আসমা জামান 0

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল

0

 

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস

মানিকগঞ্জ



Share with :

Facebook Twitter